আমার নাম সুজয় দাস। আমার বাড়ি জলপাইগুড়ি উওরবঙ্গের ছোট শহর একটা। বয়স ২৫ বছর। জীবনের যেই ঘটনা গুলো বলবো সেটার সাথে অনেক ছেলের জীবনের মিল আছে। গল্পের শুরু আমার মাকে নিয়ে। মার নাম কাবেরি দাস। বয়স এখন ৪৮। বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান হওয়ার জন্য মায়ের কাছে বড় আদরের। সব আবদার আদর ভালোবাসা মায়ের কাছে। বাবা আগে বাইরে কাজ করতো। ছেলেরা মায়েদের অনেক কাছের হয় তাও আবার একমাত্র। ছোট বেলার গল্পের সাথে শুরু করি। তখন যৌনতা বুঝতাম না কিন্তু আলাদা একটি অনুভূতি কাজ করতো। আমার বয়স তখন দশ বছর। আমরা থাকতাম ভাড়া বাড়িতে। আমাদের একটাই বিছানা থাকার জন্য আমি আর মা একসাথে শুতাম। মা গরমের রাতে ঘুমানোর আগে শাড়ি ছেড়ে শুধুমাত্র সায়া ব্লাউজ পড়ে শুতো। আমার অভ্যাস ছিল মার দুধ ধরে ঘুমানোর। তো তখন ধরার সাথে সাথে মার ব্লাউজের হুক খুলে দুধ চুষতে থাকতাম আর মাকে বলতাম দুধ বের হয় না কেনো? মা বলত দুধ শুকিয়ে গেছে। মার দুধের সাইজ ৩৪ সি। মা বকা দিত মুখে খেতে বারণ করত না। অনেক এরকম হয়েছে মার ব্লাউজের হুক ছিঁড়ে গেছে দুধ খেতে গিয়ে। মা যখন স্কুলে যাবার জন্য রেডি করাতো মা তখন শুধু সায়া পড়ে থাকত। আর আমি বিছানায় লাংটা হয়ে দাঁড়ায় থাকতাম আর মাঝে মার দুধের বোঁটাতে আমার ছোট নুনুটা লাগিয়ে দিতাম। মার কাপড় ছাড়া দেখতে খুব ভালো লাগত। এরকম রোজ করতাম। মার দুধ খেতে পারবনা বলে কোথায় ঘুরতে যেতাম না। মা একবার জোড় করে আমার মাসি বাড়ি ঝালং ঘুরতে পাঠালো। কিন্তু ঐ সময় মাকে খুব মিস করতাম। একদিন দুপুরে আমি আর মাসি একসাথে শুয়েছি। মাসি যখন গভীর ঘুমে আমি মাসির ব্লাউজের ওপর দিয়ে দুধদুটোকে খেয়েছি। মাসি এটা পড়ে মাকে বলেছিল তোর ছেলে তোর দুধ না পেয়ে আমারটা খেয়েছে। সবথেকে মজা লাগত মার ব্রার ওপর দিয়ে দুধ খেতে কারন তখন দুধগুলো খাড়া হয়ে থাকত। আমি অপেক্ষায় থাকতাম মা কোথায় যাবার জন্য রেডি হলে আমি দুধ খাব। এইভাবে অনেক খেয়েছি। একবার সবাই মিলে পুরী ঘুরতে যাবার প্লান হলো। আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়ি। ওখানে পৌছানোর পর আমরা ঘর ভাড়া নিয়ে থাকলাম। প্রথমবার সমুদ্রে স্নান করবো আলাদা একটি অনুভূতি কাজ করছিল। মা আমি বাবা সমুদ্রে যাবার জন্য রেডি হলাম। মা পড়েছিল সালোয়ার তাও ভেতরে ব্রা ছাড়া। আমি সেইদিন নিজের মাকে হা করে দেখছিলাম কারন মা প্রথম সালোয়ার পড়েছিল। সমুদ্রে গিয়ে বেশিক্ষণ স্নান করতে দেয়নি। বলল তোর ঠান্ডার দোষ রুমে চল।বাবা বলো তোয়রা যাও আমি পড়ে যাবো। যথারিত মন খারাপ নিয়ে রুমে ফিরলাম। মার ওপর রাগ হলো। মা বললো চল তোকে স্নান করিয়ে আমি করবো। আমি রাগ দেখালাম। মার বকা খেয়ে বাধ্য ছেলের মতো বাথরুমে ঢুকে গেলাম। মা সাবান লাগিয়ে দিতে লাগল। আমার চোখ গেল মার সালোয়ার কামিজের বুকের দিকে দেখি মার দুধের বোঁটা উপর দিয়ে স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে। মা বলো নে প্যান্ট খোল। আমি তখন মার দুধের দিকে হা করে তাকানো। মা আরো রেগে বলছে আগে দেখিসনি নাকি। আমি মার দুধ সবসময় দেখা যায়। মা